Month: September 2018

উমরাহ করার নিয়ম এবং মদীনা শরীফ যিয়ারত

উমরাহঃ হিল (হারামের সীমানার বাইরে মিকাতের ভেতরের স্থান) থেকে অথবা মিকাত থেকে ইহরাম বেঁধে বায়তুল্লাহ শরিফ তাওয়াফ করা, তাওয়াফের দুই রাকাত নামাজ পড়া, জমজম শরীফ পান করা, সাফা-মারওয়া সাঈ করা এবং মাথার চুল ফেলে দেওয়া বা ছোট করা । এই কাজ গুলো ধারাবাহিকভাবে করাকে উমরাহ বলে। উমরাহ করার নিয়ম ১. উমরার ইহরাম (ফরজ) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সেরে গোসল বা অজু করে নিন। মিকাত অতিক্রমের আগেই সেলাইবিহীন একটি সাদা কাপড় পরিধান করুন, আরেকটি গায়ে জড়িয়ে নিয়ে নিন। এর পর টুপি পরে বা গায়ের চাদর দ্বারা মাথা ঢেকে (টুপি বা চাদর উমরাহ বা হজ্জ এর নিয়ত করার আগে নিয়ে ফেলবে । কারণ ইহরাম বেঁধে পেললে মস্তক ঢাকা নিষিদ্ধ) ইহরামের নিয়তে দু‘রাকাআত সুন্নাত নামাজ (১ম রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে সুরা কাফেরুন এবং ২য় রাকাতে সুরা ফাতেহার সাথে সুরা এখলাস পাঠ করা) আদায় করবে ৷ মাকরূহ ওয়াক্ত হলে নামাজের জন্য অপেক্ষা করবে৷ বাংলায় নিয়তঃ ইহরামের দুরাকাত সুন্নাত নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে নিয়্যত করলাম, আল্লাহু আকবার। উমরাহর নিয়ত করে এক বা তিনবার তালবিয়া পড়ে নিন। পুরুষরা উচ্চঃস্বরে আর মহিলারা নিম্নস্বরে তালবিয়াহ্‌ পাঠ করবে। উমরাহর নিয়তঃ আল্লাহুম্মা ইন্নি উরীদুল উমরাতা ফাইয়াছ ছিরহালী ওয়া তাকাব্বালহা মিন্নি। অর্থঃ- হে আল্লাহ আমি উমরাহ পালনের নিয়ত করছি। তা আমার জন্য সহজ করে দিন এবং কবুল করে নিন। অথবা- লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা উমরাতান। (হে আল্লাহ! আমি হাজির, উমরাহ পালনের জন্য) তালবিয়া হলোঃ লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্‌দা, ওয়াননি’মাতা লাকাওয়াল মুলক, লা শারিকালাক । কাবা শরিফে প্রবেশ (‘বাবুস সালাম’ দরজা...

Read More

তারাবীহ নামাজের নিয়্যত ও তারাবীহ নামাজের দোয়া

তারাবীহ নামাজের নিয়াতঃ نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْتراويح سُنَّةُ رَسُوْلُ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ- উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন উছাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকাতাই ছালাতিত তারাবীহ সুন্নাতু রাসূলিল্লাহি তায়ালা মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। অর্থঃ কিবলামুখী হয়ে দু’রাকায়াত তারাবীর নামাজ এই ইমামের পিছনে আদায় করছি “আল্লাহু আকবার”। তারাবীহ নামাজের দোয়াঃ তারাবীহ নামাজে প্রতি চার রাকাত অন্তর অন্তর বসে নিম্নলিখিত দোয়াটি মনে মনে পাঠ করবেঃ سُبْحَانَ ذِى الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوْتِ سُبْحَانَ ذِي الْعِزَّةِ وَالْعَظَمَةِ وَالْهَيْبَةِ وَالْقُدْرَةِ وَالْكِبْرِيَاءِ وَالْجَبَرُوْتِ، سُبْحَانَ الْمَلِكِ الْحَىِّ الَذِيْ لَا يَمُوْتٌ، سُبُّوْحٌ قُدُوْسٌ رَّبُّنَا وَرَبُّ الْمَلَاءِكَةِ وَلرُوْحِ، اللَّهُمَّ اَجِرْنَا مِنَ النَّارِ، يَا مُجِيْرُ يَا مُجِيْرُ يَا مُجِيْرُ- উচ্চারণঃ সুবহানা যিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি, সুবহানা যিল ইজ্জাতি, ওয়াল আজমাতে, ওয়াল হায়বাতি,ওয়াল কুদরাতি, ওয়াল কিবরিয়ায়ি ওয়া জাবারুত। সুবহানাল মালিকিল হায়্যিল্লাযী লা ইয়ানামু ওয়ালা ইয়ামুতু আবাদান আবাদা, সুববুহুন ক্কুদ্দুসুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালা-ইকাতি ওয়ার রূহ । অর্থঃ পবিত্রতে ঘোষণা করছি তাঁর, যিনি ইহজগত, ফেরেশতা জগতের প্রভু সেই আল্লাহর মহিমা বর্ণনা করছি যিনি মহিমাময় বিরাট, ভীতিপূর্ণ, শক্তিময়, গৌরবময় এবং বভত্তর। আমি সে প্রতিপালকের গুনগান করছি, যিনি চিরঞ্জীব, যিনি কখনও নিদ্রা যান না এবং যাঁর কখনও মৃত্যু ঘটে না। পুতঃপবিত্র তিনি। তিনি আমাদের পালনকর্তা, ফেরেশতাকুল এবং আত্মাসমূহের পালনকর্তা। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, আমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি, আমরা আপনার কাছে বেহেশত চাচ্ছি এবং দোযখ থেকে মুক্তি চাচ্ছি...

Read More

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়্যত

ফজরের নামাজের নিয়্যত ফযরের সুন্নত দুই রাকাআতের নিয়্যাত: نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْفَجْرِ سُنَّةُ رَسُوْلُ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ- উচ্চারণ: নাওয়াইতু আন উসালি্লয়া লিল্লাহি তা’আলা রাকা’আতাই সালাতিল ফাজরে সুন্নাতু রাছুলিল্লাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। অনুবাদ: ফজরের দুরাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম, আল্লাহু আকবার। ফযরের দুই রাকাআত ফরয নামাযের নিয়্যাতঃ نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى رَكْعَتَىْ صَلَوةِ الْفَجْرِ فَرْضُ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ- উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন উসালি্লয়া লিল্লাহি তা’আলা রাকা’আতাই সালাতিল ফাজরে ফারযুল্লাহি তা’আলা মুতাওয়াজ্জিহান ইলাজিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার। অনুবাদ: ফজরের দুরাকাত ফরয নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম, আল্লাহু আকবার। যোহরের নামাজের নিয়্যত যোহরের সুন্নাত চার রাকাত নামাযের নিয়ত نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى اَرْبَعَ رَكْعَتِ صَلَوةِ الْظُهْرِسُنَّةُ رَسُوْلِ للَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ- উচ্চারনঃ নাওয়াইতুয়ান উসালি্লয়া লিল্লাহি তা’আলা আরবায়া রাকাআতি ছালাতিয জোহরে সুন্নাতু রাসূলিল্লাহি তা’য়াল মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আকবর। অনুবাদ: যোহরের চার রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে কিবলামুখী হয়ে নিয়্যত করলাম, আল্লাহু আকবার। যোহরের ফরয চার রাকাত নামাযের নিয়ত نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلَّهِ تَعَا لَى اَرْبَعَ رَكْعَتِ صَلَوةِ الْظُهْرِ فَرْضُ اللَّهِ تَعَا لَى مُتَوَجِّهًا اِلَى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِ يْفَةِ اَللَّهُ اَكْبَرُ- উচ্চারনঃ নাওয়াইতুয়ান উসাল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা আরবায়া রাকাআতি ছালাতিজ জোহরে ফারজুল্লাহি তা’য়াল মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আকবর।...

Read More

সালাতুত তাসবিহ নামাজের নিয়ম

সালাতুত তাসবিহ নামাজঃ হাদীস শরীফে ‘সালাতুত তাসবীহ’ নামাযের অনেক ফযীলত বর্ণিত আছে। এই নামায পড়লে আল্লাহ্ পাক সগীরা-কবীরা, জানা-অজানা, নতুন-পুরাতন সকল প্রকার গুনাহ ক্ষমা করে দেন এবং অসীম সওয়ার পাওয়া যাবে। রাসূলুল্লাহ সালল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বীয় চাচা হযরত আব্বাস রাদিআল্লাহু আনহুকে এই নামায শিক্ষা দিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে, এই নামায পড়লে মহান দয়াময় ও ক্ষমাশীল আল্লাহ্ আপনার পূর্বের, পেছনের, নতুন-পুরাতন, সগীরা-কবীরা, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য, জানা-অজানা সকল গুনাহসমূহ মাফ করে দিবেন। তিনি বলেন, চাচা জান ! আপনি যদি পারেন, তবে দৈনিক একবার করে এই নামায পড়বেন। যদি দৈনিক না পারেন, তবে সপ্তাহে একবার পড়বেন। যদি সপ্তাহে না পারেন, তবে মাসে একবার পড়বেন। যদি মাসে না পারেন, তবে বছরে একবার পড়বেন। যদি এটাও না পারেন, তবে সারা জীবনে একবার হলেও এই নামায পড়বেন । সালাতুত তাসবিহ নামাজের নিয়মঃ সালাতুত তাসবিহ চার রাকাত । প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর, যে কোন সূরা পড়তে পারেন তবে কারও কারও মতে সূরা ফাতিহার পর, সূরা আছর(১ম রাকাতে), সূরা কাওছার(২য় রাকাতে), সূরা কাফিরূন(৩য় রাকাতে), সূরা ইখলাস(৪র্থ রাকাতে) পাঠ করা উত্তম। তবে এই নামাযে বিশেষত্ব এই যে, প্রতি রকাতে ৭৫ বার করে, চার রকাতে মোট ৩০০ বার তাসবীহ পড়তে হবে। তাসবীহঃ سُبْحاَنَ الله وَالْحَمدُ للهِ وَلآَ اِلَهَ اِلاَّاللهُ وَاللهُ اَكْبرُ উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদু লিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার। নিয়তঃ নাওয়াইতুয়ান উসাল্লিয়া লিল্লাহি তাআলা আরবা’আ রাকাআতি ছালাতিল তাসবীহ সুন্নাতু রাসূলিল্লাহি তায়ালা মোতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারিফাতি আল্লাহু আকবর। অর্থঃ সালাতুত তাসবিহ চার রাকাত নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে...

Read More

বিভিন্ন দরুদ শরিফ  এবং এর ফজিলত

দরুদে তাজ উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিন সাহিবিত তাজি ওয়াল মি’রাজি ওয়াল বুরাকি ওয়াল আলাম। দাফিয়িল বালায়ি ওয়াল ওয়াবা’য়ি ওয়াল কাহাতি ওয়াল মারাদ্বি ওয়াল আলাম। ইসমুহু মাকতুবুম মারফুউম মাশফুউম মানকুশুন ফিল লাওহি ওয়াল ক্বালাম। সায়্যিদিল আরাবি ওয়াল আযাম। জিসমুহু মুকাদ্দাসুম মুওয়াত্তারুম মুতাহ-হারুম মুনাউ-ওয়ারুন ফিলবাইতি ওয়াল হারাম। শামসিদ্দোহা বাদরিদ্দুজা সাদরিল উলা নুরিল হুদা কাহফিল ওয়ারা মিসবাহিয যুলাম, জামীলিশ শিয়াম, শাফিয়িল উমাম। সাহিবিল যূদি ওয়ালকারাম। ওয়াল্লাহু আসিমুহু ওয়া জিব্রিলু খাদিমুহু ওয়াল বুরাকু মারকাবুহু ওয়াল মি’রাজু সাফারুহু ওয়া সিদরাতুল মুনতাহা মাকামুহু, ওয়া কাবা কাওসাইনি মাতলুবুহু ওয়াল মাতলুবু মাকসুদুহু ওয়াল মাকসুদু মাওজুদুহ। সাইয়্যিদিল মুরসালীন, খাতিমিন নাবিয়্যিন, শাফী’ইল মুজনিবীন, আনিসীলগারিবীন, রাহমাতুল্লিল আলামিন, রাহাতিল আশিকীন, মুরাদিল মুশতাকীন, শামসিলআ’রিফিন, সিরাজিস সালিকীন, মিসবাহিল মুকার-রাবীন, মুহিব্বিল ফুকারা’য়ি ওয়াল গুরাবা’য়ি ওয়াল মাসাকীন, সায়্যিদিল সাকালাইন, নাবিয়্যিল হারামাইন, ইমামিল ক্বিবলাতাইন, ওয়াসীলাতিনা ফিদ দারাইন, সাহিবিল কাবা কাওসাইনি মাহবুবি রাব্বিল মাশরিকাইনি ওয়াল মাগরিবাইন, জাদ্দিল হাসানি ওয়াল হুসাইন, রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহুমা মাওলানা ওয়া মাওলাস ছাকালাইনআবিল কাসিমি সায়্যিদিনা ওয়া হাবীবিনা মুহাম্মাদিবনি (সাল্লাল্লাহু তা’আলা আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়াসাল্লাম) আবদিল্লাহি নূরিম মিন নূরিল্লাহি ইয়া আয়্যূহাল মুশতাকুনা বিনূরী জামালিহী সাল্লু আলাইহি ওয়া আলিহী ওয়াআসহাবিহী ওয়া সাল্লিমু তাসলিমা। ফযিলতঃ মনের পবিত্রতা লাভের জন্য ফজরের নামাযের পর ৭বার, আছরের নামাযের পর ৩বার, ইশার নামাযের পর ৩ বার পড়তে হয়। এই দুরূদ শরীফ সর্বদা পড়লে মনের বাসনা পূর্ণ হয়। জুমআর রাতে এ’শার নামায শেষে এই দুরূদ শরীফ ১৮০ বার পাঠ কওে শুলে ইনশাআল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম এর জিয়ারত নসীব হবে। ১১ দিন এই আমল করলে মনের আশা পূর্ণ হবে। দরূদে মাহী উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সাল্লি আ’লা মুহাম্মাদিন খাইরিল খালায়িক্বি আফদ্বালিল বাশারি শাফীয়িল উম্মাতি ইয়াওমাল হশারি ওয়ান্নাশরি সইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিম্ বিআদাদি কুল্লি মা’লুমিল্লাকা...

Read More

Categories

Archives

Follow US