Category: নামাজ শিক্ষা

নামাজের আহকাম ও আরকান সমূহ

নামাজের আহকামসমূহঃ যে ফরজ কাজগুলো নামাজ শুরু করার আগেই করতে হয়, সেগুলোকে সালাতের আহকাম বলা হয়। সালাতের আহকাম মোট সাতটি। যথা- ১. শরীর পাক হওয়া : প্রয়োজনমতো অজু-গোসল বা তায়ামুমের মাধ্যমে শরীর পাক পবিত্র করা। ২. কাপড় পাক হওয়া, অর্থাৎ কাপড় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হওয়া। ৩. জায়গা পাক হওয়া (নামাজ পড়ার স্থান পাক হওয়া)। ৪. সতর ঢাকা (পুরুষের নাভীর উপর থেকে হাঁটু পর্যন্ত ঢেকে রাখা এবং মহিলাদের মুখমণ্ডল হাতের কব্জি এবং পায়ের পাতা ছাড়া সমস্ত শরীর ঢেকে রাখা)। ৫. কিবলামুখী হওয়া (কাবার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করা)। ৬. ওয়াক্ত হওয়া (সালাতের নির্ধারিত সময় হওয়া)। ৭. নিয়ত করা (যে ওয়াক্তের সালাত আদায় করবে মনে মনে তার নিয়ত করা)। নামাজের আরকানসমূহঃ যে ফরজ কাজগুলো সালামের মধ্যে আদায় করতে হয়, সেগুলোকে সালাতের আরকান বলা হয়। সালাতের ৬টি আরকান রয়েছে, সেগুলো নিম্নে দেয়া হল- ১. তাকবিরে তাহরিমা বা আল্লাহু আকবার বলে নামাজ শুরু করা। ২. কেরাম বা দাঁড়িয়ে সালাত পড়া। নারী-পুরুষ উভয়কে দাঁড়িয়ে সালাত পড়ত হবে। তবে অসুস্থ হলে বসে এবং বসতে অক্ষম হলে শুয়ে ইশারায় সালাত পড়তে হবে। ৩. কোরআন শরীফের কিছু অংশ পাঠ করা। \n\n ৪. রুকু করা। ৫. সিজদা করা। ৬. শেষ বৈঠকে বসা (যে বৈঠকে তাশাহুদ, দরুদ, দোয়া মাছুরা পড়ে সালামের মাধ্যমে সালাত শেষ করা হয় তাকেই বলে শেষ বৈঠক) ডানে ও বামে সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করা।   Install QR-Code নামাজ শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় সূরা - Namaj Shikkha Developer: IT Solution Price:...

Read More

আযান ও ইকামতের নিয়মাবলী

আযান দেয়ার নিয়মঃ আযানের সুন্নাত নিয়ম হলো মুয়াযযিনকে আযানের সময় হলে পাক পবিত্রবস্থায় সুন্দর করে ওযু করে, পাক জায়গায় দাঁড়িয়ে, আযান দিতে হবে। আর মসজিদের ক্ষেত্রে নিয়ম হলো মসজিদের দক্ষিণ পার্শ্বস্থ মিনারায় কিবলা অপেক্ষা উঁচু স্থানে কেলবামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে উভয় কানের ছিদ্রদেশে দু’হাতের দু’শাহাদাত আঙ্গুলি প্রবেশ করিয়ে নিন্মোক্ত বাক্যগুলো উচ্চকষ্ঠে উচ্চারণ করবে ৷ ১. চারবার-আল্লাহু আকবার (আল্লাহ্ মহান) বলবে। ২. দু’বার-আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ছাড়া কােন উপাস্য নেই) বলবে। ৩. দু’বার-‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ’ (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি হযরত মুহাম্মদ (সঃ) আল্লাহর রাসূল) বলবে ৷ 8. দু’বার-“হাইয়্যা আ’লাচ্ছালাহ্’ (নামাযের দিকে আস) বলবে ৷ ৫. দু’বার-‘হাইয়্যা আ’লাল ফালাহ্’ (সাফল্যের দিকে আস) বলবে। ৬. ফজরের নামাযের আযানের সময় দু’বার ‘আচ্ছালাতু খাইরুম যিনান্নাওম’ (ঘুম হতে নামায উত্তম) বলবে । অন্য কোন ওয়াক্তে বলতে হবে না। ৭. দু’বার-‘আল্লাহু আকবার’ (আল্লাহ্ মহান) বলবে। ৮. একবার-‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’ (আল্লাহ্ ব্যতীত উপাস্য নেই) বলবে । আযানের উত্তরঃ আযান দেয়ার সময় যত লোক উক্ত আযান শুনবে সকলকেই আযানের প্ৰতি উত্তর দিতে হবে । যখন তাদের কানে আযানের প্রতিধ্বনিগুলো শ্রুত হবে, তখন তারা ঠিক অনুরূপই উত্তর দিতে থাকবে। তবে শুধুমাত্র যখন ‘হাইয়্যা আলা’চ্ছালাহ্ এবং হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ শুনবে তখন বলবে, ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লাবিল্লাহ’ ৷ আর ফজরের আযান যখন শুনবে ‘আছছালাতু খাইরুম যিনান্নাওম ’ তখন বলবে ‘ক্বাদ ছাদ্দাক্বতা ওয়া বারাকতা। আযানের দোয়াঃ আযানের পর নিন্মলিখিত দোয়া পাঠ করতে হয়- উচ্চারণঃ ‘আল্লাহুম্মা রাব্বা হাযিহিদ্ দা’ ওয়াতিত তাম্মাতি ওয়াচ্ছালাতিল ক্বায়িমাহ্ ৷ আতি মুহম্মাদানিল ওয়াসীলাতা ওয়াল ফাযীলাতা...

Read More

ওযূর করার সঠিক নিয়মাবলী

ওযূর সঠিক নিয়মে না হলে নামাজ আদায় হয় না। সুতরাং সুন্নাত তরীকায় অজু করার নিয়ম জানা অনেক গুরুত্বপূর্ণ । ওযূর কতিপয় নিয়মগুলো নিম্নরূপঃ ওযূর নিয়তঃ উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন আতাওয়াজ্জা লিরাফয়িল হদাসি ওয়া ইস্তিবাহাতা লিছছালাতি ওয়াতাক্বারুবান ইলাল্লাহি তা’য়ালা। নিয়তঃ আমি পবিত্রতা অর্জন করা বা ইবাদাত করা অথবা আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করার জন্য অজু করছি । প্রথমে উভয় হাতের কবজি পর্যন্ত ধোয়াঃ বাম হাতে পানি নিয়ে ডান হাতের কবজি তিনবার ধৌত করবে। এরপর ডান হাতে পানি নিয়ে বাম হাতের কবজির উপর পানি ফেলে তিন বার ধৌত করবে। হাতে নাপাকী থাকলে যে কোন উপায়ে প্রথমে হাত ধুয়ে নিতে হবে। মিসওয়াক করাঃ কুলি করার পূর্বে মিসওয়াক করা সুন্নাত। মিসওয়াক অজু শুরু করার পূর্বেও করা যায়। মিসওয়াক না থাকলে কিংবা মুখে ওজর থাকলে বা দাঁত না থাকলে আঙ্গুল দিয়ে হলেও ঘষে নিবে। কুলি করাঃ ডান হাতে পানি নিয়ে কুলি করবে। রোজাদার না হলে গড়গড়া করা সুন্নাত। তিনবার   কুলিকরা সুন্নাত। তিনবারের জন্য আলাদা আলাদা তিনবার পানি নিতে হবে। নাকে পানি দেওয়াঃ ডান হাতে নাকে পানি দিবে এবং বাম হাত দ্বারা নাক ঝাড়বে। বাম হাতের কনিষ্ঠাঙ্গুলের অগ্রভাগ দিয়ে নাক পরিষ্কার করবে। তাছাড়া কনিষ্ঠ ও বৃদ্ধাঙ্গুল দিয়েও নাক পরিষ্কার করা যায়। তিনবার নাকে পানি দেওয়া সুন্নাত। রোজাদার না হলে নাকের নরম স্থান পর্যন্ত পানি পৌঁছানো উত্তম। নাকে অলংকার এবং হাতে আংটি থাকলে তা নাড়া- চাড়া করে নিচে পানি পৌঁছে দেওয়া ওয়াজিব। মুখমন্ডল ধোয়াঃ উভয় হাতে পানি নিয়ে সমস্ত মুখমণ্ডল ধৌত করবে। অর্থাৎ কপালের চুলের গোড়া থেকে থুতনীর...

Read More

নামাজ ফরজ হওয়ার শর্ত

নামাজ ইসলামের অন্যতম প্রধান রোকন এবং মুমীন বান্দার জন্য একটি অবশ্য পালনীয় কর্তব্য। নামাজ ফরজ হওয়ার শর্তসমূহ হলোঃ মুসলমান হওয়া বয়স কমপক্ষে ৭ বৎসর হওয়া এবং সুস্থ মস্তিস্কের হওয়া।   Install QR-Code নামাজ শিক্ষা ও প্রয়োজনীয় সূরা - Namaj Shikkha Developer: IT Solution Price:...

Read More

Categories

Archives

Follow US